• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রামে ২১ বছর ধরে অসহায় ও মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের সেবায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কাজল নিজের আয়ে ১২০ জনের পাশে কাজল ১০ বছর ধরে আগলে রেখেছেন রাসেলকে হানিট্র্যাপ চরিত্রে দুই বাংলার জনপ্রিয় যাত্রাশিল্পী প্রিন্সেস বিউট ‘আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই’ কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে মাতৃ, নবজাতক, শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রামে হাডুডু ঘিরে উৎসব, পুরস্কার গরু-ছাগল-রাজহাঁস ফুটপাত ছাড়াই মহাসড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ৫ পিস ইয়াবা টেবলেটসহ ইয়াবাসেবী কাদের আটক কুড়িগ্রামে শিশু-কিশোরদের গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সার্ভেয়ার কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব, কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব নিয়ে রাজারহাট ইউএনওর প্রশংসায় স্থানীয়রা ফারুকী-তিশার সংসারে ভাঙনের গুঞ্জন

চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদের তিব্র ভাঙ্গনে শিকার হয়ে”, বাড়ি-ভিটা হারিয়েছেন ২৫টি পরিবার

হাবিবুর রহমান / ১০৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

হঠাৎ করে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তিব্র ভাঙ্গনে শিকার হয়ে বাড়ি-ভিট ছেড়েছেন ২৫টি পরিবার আতঙ্কে দিন কাটছে চরবাসীদের।
সোমবার (২৯জুন) গভীর রাত থেকে হঠাৎ করে, চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল এলাকার “বিশার পাড়ার চরের আশ্রায়ন কেন্দ্রের” ২৫ টি পরিবার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বাড়ি-ভিটা হারিয়েছেন। এখন আতঙ্কে ঘর-বাড়ি সরাতে ব্যস্ত আছেন চরবাসীরা। সেই সাথে অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে বন্যার আশংঙ্খা ররেছেন বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস। জানাগেছে, সোমবার রাত আড়াইটার সময় নদের প্রবল স্রোতে তীব্র ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বিশার পাড়া আশ্রায়ন প্রকল্পটিতে, বসবাসরত ১৬০টি পরিবারের মধ্যে এক রাতেই ২৫টি পরিবারের বাড়ি-ভিট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছেন। তাৎক্ষণিক ভাবে প্রানহানির ঘটনা না ঘটলেও পরিবার গুলো বাড়ি-ভিটা হারিয়ে অনেক অনেক ক্ষয়-ক্ষতিতে পড়েছেন বলে জানাযায় । আজ তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। গবাদি পশুসহ আসবাব পত্র সামলাতে বাড়ি-ভিটা হারা মানুষ গুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গনে শিকার- আঃ আজিদ, আজম, আলম, মতিয়ার, নজরুল, হামিদ, লাল মিয়া, মোকলেছুর, শাহীন , আঃ রহিম, বক্কর, রসিদ, রুবিনা, মনছুর এরা বলেন, আমাদের ঘর-বাড়ি গুলো স্থানান্তর সহ খাদ্য সামগ্রী, ঔষধ-পত্র ও জরুরী সামগ্রী সহায়তা দেয়ার জন্য “এনজিও ও প্রশাসনের” নিকট অনুরোধ করেছেন।
এ বিষয়ে চিলমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আমিনুল কাজী বলেন, হঠাৎ নদের ভাঙ্গন শুরু হয়ে নিমিষেই ঘর-বাড়ি গুলো এমন ভাবে ভেঙ্গে গেছে যে জিনিষ-পত্র সড়ানোর সময় টুকু ও পায়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন, স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভূক্ত-ভোগী পরিবার গুলো তাদের ঘর-বাড়ি গুলো যেন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলেন। সোমবার উক্ত গৃহহীনদের মাঝে রিলিফ বিতরন করা হলেও তা প্রয়োজনের তূলনায় অনেক কম ছিল। অপর দিকে অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে চিলমারীতে বন্যা হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
এলাকাবাসীরা বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন প্রতিরোধে এখনই জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে, তা না হলে এই নদের ভাঙ্গনে চরাঞ্চলের শতশত একর জমি ও হাজার হাজার বাড়ি-ভিটা নদের বুকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা