• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রামে ২১ বছর ধরে অসহায় ও মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের সেবায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কাজল নিজের আয়ে ১২০ জনের পাশে কাজল ১০ বছর ধরে আগলে রেখেছেন রাসেলকে হানিট্র্যাপ চরিত্রে দুই বাংলার জনপ্রিয় যাত্রাশিল্পী প্রিন্সেস বিউট ‘আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই’ কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে মাতৃ, নবজাতক, শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রামে হাডুডু ঘিরে উৎসব, পুরস্কার গরু-ছাগল-রাজহাঁস ফুটপাত ছাড়াই মহাসড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ৫ পিস ইয়াবা টেবলেটসহ ইয়াবাসেবী কাদের আটক কুড়িগ্রামে শিশু-কিশোরদের গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সার্ভেয়ার কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব, কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব নিয়ে রাজারহাট ইউএনওর প্রশংসায় স্থানীয়রা ফারুকী-তিশার সংসারে ভাঙনের গুঞ্জন

জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

যুগের খবর ডেস্ক: / ১০৭ Time View
Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে আনন্দঘন কিছু সময় কাটিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’- এর উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে যান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময় ডা. জুবাইদা রহমান এই হোস্টেলেই থাকতেন।
উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দোয়া করি, আপনারা নিজ নিজ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত হোন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন শিক্ষার্থীরা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানকে কাছে পেয়ে তারা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।
এ সময় স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে যখন জুবাইদা রহমানকে মেডিকেলে নিয়ে আসতাম, তখন তাকে সামনের সিটে আমার পাশে বসিয়ে নিয়ে আসতাম। আজও আসার সময় তাকে বলেছি সামনের সিটে বসতে। পাশে বসিয়েই আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি।
নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, আজ অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই ক্যাম্পাসে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেকটা সময় কেটেছে। আজ সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ছে।
বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের সবসময় সামনের দিকে তাকাতে হবে। জীবনের টানাপোড়েনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আসবে। মনের ভেতর রাগ-ক্ষোভ পুষে রাখলে চলবে না। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মেডিকেল কলেজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে। একদিন যেন এই মেডিকেল কলেজ নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে সেলফি তোলেন শিক্ষার্থীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা