• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
Headline
 রাজারহাটে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা বিজন ডাকুয়ার পরলোকগমন রাজারহাটে প্রেসক্লাব সদস্য মুকুল কোঙরের পরলোক গমন চিলমারীতে “সাপ্তাহিক সহযোগী” পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বাষিকী পালিত কুড়িগ্রামে এসআরবি-১৩ এর অভিযানে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, ১০০ পিস ইয়াবা এবং ০৪ বোতল এস্কাফ উদ্ধার সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশি বলে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট বাস্তব কথা আবরার ফাহাদ হত্যার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শনিবার মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসবের ক্ষণগণনা কুড়িগ্রামে সিএনজি চলাচলের অনুমতির দাবিতে চালকদের সড়ক অবরোধ রাজারহাটে দুর্গাপূজা ঘিরে প্রশাসনের কঠোর প্রস্তুতি, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান ইউএনও’র

চীন সর্বদা বাংলাদেশের পাশে থাকবে: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

Reporter Name / ১৩৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

যুগের খবর ডেস্ক:বর্তমানে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে জানিয়ে এটি সব সময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও। তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে চীন।
আগামী জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথা রয়েছে। এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন চীনা রাষ্ট্রদূত।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর একটি বেসরকারি হোটেলে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশের নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে।’
এ ছাড়া সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চীন সফর এবং প্রথমবারের মতো দুই দেশের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চীন সব সময় দৃঢ় সমর্থন দিয়ে যাবে।
একই সঙ্গে ‘এক চীন’ নীতির প্রতি বাংলাদেশের ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীনের অবদানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত জানান, নতুন সরকার গঠনের পর থেকে বাংলাদেশে প্রায় ১০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো। এর মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
তিনি আরো জানান, তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা, মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের আবাসিক হল নির্মাণসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে চীন।
সবুজ জ্বালানি, তথ্য-প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রিক ভেহিকল খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহের কথাও জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় বেইজিং।
দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগও আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে বলে উল্লেখ করেন ইয়াও ওয়েন। তিনি জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার বাংলাদেশিকে চীনের ভিসা দেওয়া হয়েছে এবং বছর শেষে এ সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে ৪৫টি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।
এ ছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দুটি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে নতুন গতি আনবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ সরকারের কর্মমুখী উদ্যোগের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও জ্বালানিসংকটের এই সময়ে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে থাকতে চায়। বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং তৃণমূল পর্যায়ের সুশাসনে নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।
রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের ‘ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব’ আরও শক্তিশালী হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা