• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রাম-রাজারহাট আরকে সড়কে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর রাজারহাটে পানির ট্যাংকে চেতনানাশক মিশিয়ে চুরির চেষ্টা, অসুস্থ- ৭ উলিপুরে ৪৫০জন নারী ও কিশোরীকে ডিগনিটি কিট বিতরণ কুড়িগ্রামে পুকুরে ডুবে খালাতো ভাইবোনের মৃত্যু চিলমারীতে ১০০পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে তালবীজ রোপণ করলেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট ইউএনও যুক্তরাষ্ট্রে রোড ট্রিপের গল্পের সিনেমায় মৌসুমী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে এগিয়ে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কুড়িগ্রামে সার না পেয়ে কৃষকদের ক্ষোভ, ডিলারের গোডাউনে ভাঙচুর কুড়িগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় গরুর মৃত্যু, প্রাণে বাঁচলেন মালিক

নাগেশ্বরীতে এক মাসে ভেঙেছে তিন শতাধিক ঘরবাড়ি

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: / ২৬৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

নাগেশ্বরীতে এক মাসে বিভিন্ন ইউনিয়নে ভেঙেছে প্রায় তিন শতাধিক ঘর-বাড়ি, অনেক ফসলি জমি, বাগান, স্থায়ী স্থাপনা। অতি কষ্টে দিন কাটছে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষদের। জানা যায়, কিছুদিন আগে উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গা’র ধারে পানি বৃদ্ধির সাথে দেখা দেয়া ভাঙন।

এখন পানি কমার সাথে তা তীব্র আকার ধারণ করেছে। গিলে খেয়েছে গ্রামের পর গ্রাম, ফসলি জমি, স্থায়ী স্থাপনা। অনেক জায়গায় হারিয়ে গেছে পুরোনো জনপথ। ভাঙনের শিকার মানুষগুলো হয়েছে দরিদ্র থেকে অতি দরিদ্র। অনেকেই ঘর-বাড়ি হারিয়ে পাড়ি জমিয়েছে অন্যত্র।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত এক মাসে দুধকুমার ভেঙেছে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কুটিরচরে ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া, আব্দুল খালেক, রজব আলী, ফজু মিয়া, মাহালম মিয়া, শাহালম হোসেন, গাজী মিয়াসহ ৬০ জনের ঘর-বাড়ি।

ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, যেভাবে দুধকুমার ভাঙছে তাতে অল্প সময়ের মধ্যে এ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডটি সম্পূর্ণ নদের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে আমার বাড়িটিও ভেঙেছে। ভাঙছে এ ইউনিয়নের চর লুছনী, গোয়ালটারীসহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা। এখনই ব্যবস্থা না নিলে সবকিছু হারিয়ে নি:স্ব হয়ে লোকগুলো কোথায় যাবে, কি করবে!

রায়গঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য রিয়াজুল ইসলাম জানান, গত ১৫ দিনে এ ওয়ার্ডের প্রায় ৭০টি বাড়ি নদের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পার্শ্ববর্তী ৮নং ওয়ার্ডের পাচমাথাঘাট সড়কটিও গত ৪ দিন আগে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। এখানে কয়েকদিন ধরে পানি উন্নয়ন বোর্ড কিছু বালির বস্তা ফেললেও তা তেমন কাজে আসছে না। এ অবস্থায় আমরা ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, বিভিন্ন নদনদীর ৩৮টি পয়েন্টে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন কবলিত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভুরুঙ্গামারী) আসনের সাংসদ আনায়ারুল ইসলাম জানান, নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই আমি ভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিষয়টি অবহিত করেছিলাম। ৪ বার আবেদন করেছি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব বরাবর। উল্লেখযোগ্য কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা