• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
Headline
হতদরিদ্র মানুষের নিজ ভিটায় সোলারসহ ঘর নির্মার্ণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে:  রাজারহাটে শাড়ি বিতরণে ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু ভূরুঙ্গামারীতে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নুর মোহাম্মাদ নামে এক ব্যাংকিং ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই আজ বিজয়া দশমী, ঢাক-শঙ্খের ধ্বনিতে বিদায়ের সুর অন্যের বারান্দায় রাত কাটানো লতা রানীর পাশে খাদ্য ও পোশাক দিয়ে দাঁড়াল রাজারহাট উপজেলা প্রশাসন পূজা হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক এবং সর্বজনীন- রাজারহাটে শাড়ি উপহার বিতরণে কুড়িগ্রাম ডিসি সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী চীনে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন পুতিন, ট্রাম্প ও শি আজ মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা কুড়িগ্রামে দুর্যোগ কবলিত তিন ইউনিয়নে উদ্ধার উপকরণ বিতরণ ভূরুঙ্গামারীতে প্রতারণার সময় এক ভূয়া ডিবি পুলিশ গ্রেফতার

চিলমারীতে ফের ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্ক উপজেলাবাসী

হাবিবুর রহমান / ১৪৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল (সড়কটারী) এলাকায়, আবারও তিনটি স্থানে ধস ও একাধিক স্থানে রাস্তার ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে নদের তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন ও বন্যা আতঙ্কে আছেন উপজেলাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধসে গেছে। এছাড়া অন্তত ১২টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছেন। ঝুঁকিতে রয়েছেন প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাসহ বাঁধের রাস্তা।
স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, ৪৪৮কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ ২০১৮সালে হলেও তখন থেকে একাধিক বার, ব্লক ধসের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত হয়নি স্থায়ী সমাধান। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্কে থাকতে হয় এই এলাকার মানুষদের।
কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদী ভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি, কখন যেন ভেঙে যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত তেমন কোন স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মানিক, খালেক, নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের স্থায়ী সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা