• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রামে ২১ বছর ধরে অসহায় ও মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের সেবায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কাজল নিজের আয়ে ১২০ জনের পাশে কাজল ১০ বছর ধরে আগলে রেখেছেন রাসেলকে হানিট্র্যাপ চরিত্রে দুই বাংলার জনপ্রিয় যাত্রাশিল্পী প্রিন্সেস বিউট ‘আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই’ কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে মাতৃ, নবজাতক, শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রামে হাডুডু ঘিরে উৎসব, পুরস্কার গরু-ছাগল-রাজহাঁস ফুটপাত ছাড়াই মহাসড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ৫ পিস ইয়াবা টেবলেটসহ ইয়াবাসেবী কাদের আটক কুড়িগ্রামে শিশু-কিশোরদের গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সার্ভেয়ার কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব, কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব নিয়ে রাজারহাট ইউএনওর প্রশংসায় স্থানীয়রা ফারুকী-তিশার সংসারে ভাঙনের গুঞ্জন

চিলমারীতে “কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বৃক্ষরোপণ” কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ / ৯১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে”, “কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বৃক্ষরোপণ” কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে, উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কনক চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে, উপজেলার ৩৫০জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে ১৭৫০টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে প্রতিটি কৃষক বা প্রতিষ্ঠান পাবে, ৫টি গাছের চারা (মেহগনি, বানানা ম্যাংগো ও বারি-৪ আম, জাম, কাঁঠাল ও জাতনীম), ৫টি খুটি ও ২৫ কেজি জৈব সার ও গ্রীস্মকালীন শাক-সবজির ক্ষেত্রে প্রতি কৃষক পাবে, ৭ প্রকারের করে মোট ৩০০গ্রাম শাক-সবজীর বীজ, ১৫ কেজি ডিএপি ও ১৫ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মনিরুজ্জামান। অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি অফিসার, সারোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা আমীর অধ্যাপক নুর আলম মুকুল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপির) উপজেলা আহ্বায়ক আলহাজ্ব আঃ বারী সরকারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা