• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
Headline
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, গড় পাসের হার ও জিপিএ–৫ কমেছে কুড়িগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনির মতবিনিময় মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রাম জেলার শুরু চিলমারী ও রাজীবপুর নয় এই টোটাল এলাকায় যেন আমরা ভাঙন রোধ করতে পারি এবং এখানকার কোন মানুষের যেন বাড়ী-ঘর, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, শ্মশান ঘাট, স্কুল, কলেজ, হাট বাজার আর যেন নদীতে বিলীন হয়ে না যায়। সে জন্যই বর্তমান সরকার তারেক রহমান সরকার, এই প্রকল্পগুলো হাতে নিয়েছেন-পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, ফরহাদ হোসেন আজাদ ভূরুঙ্গামারীতে বর্নিল আয়োজনে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সকালে দুই জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৬ বিটিভির মহাপরিচালক হলেন কাজী জেসিন রাজারহাটে পাখির অভয়ারণ্য ঘোষণা, হাড়ি-পাতিলের বাসা উদ্বোধন করলেন ইউএনও ভূরুঙ্গামারীতে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবসে জুলাই যোদ্ধা ও জুলাই শহীদের পরিবারবর্গকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা ভূরুঙ্গামারীতে মাদকদ্রব ইয়াবা টেবলেটসহ আটক ১, একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০০ টাকা জরিমানা

চোখের নিমিষেই তিস্তায় বিলীন মন্ডলপাড়া জামে মসজিদ কুড়িগ্রামে ভাঙনের করাল গ্রাসে আতঙ্কিত চরবাসী

পিএম সৈকত, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:  / ৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলে আবারও তার প্রলয়ংকারী রূপ দেখিয়েছে ‘রাক্ষুসে তিস্তা’। অব্যাহত ও ভয়াবহ নদীভাঙনের মুখে এবার মুহূর্তের মধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে চর বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ঐতিহাসিক মন্ডলপাড়া জামে মসজিদ। তিস্তাপাড়ের মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আর কত ক্ষতি হলে মিলবে স্থায়ী সমাধান?
মঙ্গলবার(২১জুলাই) বিকালে স্থানীয়দের চোখের সামনেই ঘটে যাওয়া এ দৃশ্য যেন এক দুঃস্বপ্ন। দীর্ঘদিন ধরে তিস্তার তীরঘেঁষে ঝুঁকিতে থাকা মসজিদটি শেষ পর্যন্ত নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কাছে হার মানে। অল্প সময়ের ব্যবধানে পুরো মসজিদ ভবনটি ভেঙে পড়ে নদীতে তলিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন ধরেই বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে নদীভাঙন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিশেষ করে মন্ডলপাড়া এলাকায় ভাঙনের গতি ছিল অত্যন্ত তীব্র। ভিটেমাটি ও মসজিদ রক্ষায় কোনো ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগই পাননি তারা।
মসজিদটি নদীতে বিলীন হওয়ার পর এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোক ও আতঙ্কের ছায়া। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কণ্ঠে ফুটে উঠেছে অসহায়ত্বের করুণ সুর। এক বাসিন্দা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমাদের একটাই চাওয়া ছিল ঘরবাড়ি না থাকলেও অন্তত আল্লাহর ঘরটা যেন টিকে থাকে। কিন্তু তিস্তা সেটাও কেড়ে নিল। এখন আমরা কোথায় নামাজ পড়ব?”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছরই তিস্তা নদীর ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের মানচিত্র। ভিটেমাটি, আবাদি জমি, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত পরিবার। অথচ দীর্ঘদিন ধরেও স্থায়ী কোনো ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি তাদের।
ভাঙনকবলিতরা ভূক্তভোগীরা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, কার্যকর উদ্যোগ না নিলে অচিরেই চর বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা