• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
Headline
এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিটিভিতে উচ্চ শ্রেণিতে উন্নীত হলেন ভাওয়াইয়া ভাস্কর ভূপতি ভূষণ বর্মা কুড়িগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে ১৫ হাজার মানুষের চলাচল ‘সাইকেল-অটোরিকশা উঠলেই কেঁপে ওঠে সেতু’ অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে আটক এক নারীসহ তিন বাংলাদেশী ৩৩ মাস ভারতীয় কারাগারে থাকার পর ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরেছেন কুড়িগ্রামে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা কুড়িগ্রামে সারের দাবীতে সড়ক অবরোধ: উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অবরুদ্ধ কুড়িগ্রামে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে এক বীরমুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা, অভিযুক্ত আটক সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর উলিপুরে কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত

বিটিভিতে উচ্চ শ্রেণিতে উন্নীত হলেন ভাওয়াইয়া ভাস্কর ভূপতি ভূষণ বর্মা

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  / ২০ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের উলিপুরের কৃতি সন্তান, ভাওয়াইয়া সম্রাট খ্যাত লোকসংগীত শিল্পী ভূপতি ভূষণ বর্মা বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এর লোকসংগীত শিল্পী হিসেবে ‘কথ শ্রেণি থেকে ‘উচ্চথ শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছেন।
সম্প্রতি বিটিভির কন্ট্রোলার প্রোগ্রাম ম্যানেজার (সংগীত) ও গ্রেডেশন পুনর্মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মনিরুল হাসান স্বাক্ষরিত পত্রে জানা যায়,
বিটিভির বিদ্যমান গ্রেডেশন নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ডের সুপারিশক্রমে তাঁকে এই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
ভূপতি ভূষণ বর্মা ১৯৫৮ সালের ২৮ অক্টোবর উলিপুর উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের আঠারো পাইকা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা নরেন্দ্রনাথ বর্মা ও মাতা কামাখ্যাময়ীর সন্তান তিনি। পারিবারিক জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক, দুই মেয়েরই বিয়ে হয়েছে। সহধর্মিণী সাধনা রায় ২০০৭ সালে মরনব্যাধী ক্যান্সারে মারা গেলে তিনি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন। পেশাগত জীবনে তিনি ১৯৮২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সহকারী শিক্ষক এবং ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ ৩৬ বছর দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।
উত্তরবঙ্গের প্রাণের সুর ভাওয়াইয়াকে রক্ষায় ১৯৯৩ সালে দুর্গাপুর ইউনিয়নের পাঁচপীর বাজারে তিনি নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেন, বাংলাদেশ ভাওয়াইয়া একাডেমি। ইতিমধ্যে একাডেমির তিন তলার ভিত্তি দিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে।
এই একাডেমি থেকে ৭০০ এর মতো শিল্পী তালিম নিয়ে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন।
তাঁর এই অবদানের জন্য সংস্কৃতি অঙ্গনে তিনি ‘ভাওয়াইয়া ভাস্করথ ও ‘ভাওয়াইয়ার ফেরিওয়ালাথ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
শুধু দেশে নয়, দুই বাংলায় ভাওয়াইয়ার সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন তিনি।
ভারতের কোচবিহার থেকে প্রকাশিত দৈনিক একটি পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রতি বছর তিনি ভারতের উত্তরবঙ্গে গিয়ে ভাওয়াইয়ার আসরে গান করেন এবং নতুন শিল্পীদের প্রশিক্ষণ দেন। বর্তমানে তিনি অনলাইনেও ভাওয়াইয়া শেখাচ্ছেন এবং ৬ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য ভাওয়াইয়া প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর ১৫০টির বেশি গান ইউটিউবে রয়েছে।
ভাওয়াইয়া গান নিয়ে তিনি দক্ষিণ কোরিয়া সফর করেছেন।
সম্প্রতি বিটিভির ‘ইত্যাদিথর কুড়িগ্রাম পর্বে তাঁকে ও তাঁর একাডেমিকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রচারিত হয়।
এ বিষয়ে ভূপতি ভূষণ বর্মা বলেন, এই স্বীকৃতি আমার একার নয়, এটি উলিপুরের তথা সমগ্র উত্তরাঞ্চলের ভাওয়াইয়া প্রেমী মানুষের।
তাঁর এই অর্জনে উলিপুরসহ পুরো কুড়িগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আনন্দের জোয়ার বইছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা