• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline
ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শিশু রোগী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভাঙা-গড়ার খেলায় চরের জীবন: কুড়িগ্রামের নদীভাঙন, মানুষের সংগ্রাম ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত হরমুজকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণা করে মানচিত্র প্রকাশ ট্রাম্পের রাজারহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ রাজারহাটে হত্যা মামলার আসামিসহ ৫ জন গ্রেফতার কুড়িগ্রামের পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে ভারতীয় মোবাইলের বড় চালান জব্দ: আটক এক কুড়িগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মন্ত্রিসভায় নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও রদবদল করে প্রজ্ঞাপন জারি ভূরুঙ্গামারীতে দুইজন সার ব্যবসায়িকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত উলিপুরে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু, আহত আরও এক

ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শিশু রোগী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে

আব্দুল লতিফ, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: / ৫ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শিশু রোগী ও তাদের অভিভাবকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় তাদেরকে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে নতুবা সাধারণ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট (পেডিয়াট্রিক্স বা শিশুরোগ) পদটি দীর্ঘদিন যাবত শুন্য রয়েছে। প্রতিদিন উপজেলা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন অভিভাবকরা। বিশেষ করে গ্রাীষ্ম, বর্ষা ও শীতকালে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় জটিল রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকের ওপর নির্ভর করতে হয়। তা-না হলে দূরবর্তী কুড়িগ্রাম জেলা সদর অথবা বিভাগীয় শহর রংপুর যেতে হয়।
সাজ্জাদ নামের এক অভিভাবক বলেন, অসুস্থ শিশুরা তাদের সমস্যা বলতে পারে না। তাদের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতালে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় অনেক সময় বাধ্য হয়ে নিকটস্থ বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। তা-না হলে কুড়িগ্রাম কিংবা রংপুরে যেতে হচ্ছে। এতে একদিকে বাড়তি অর্থ ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে জরুরি অবস্থার রোগী নিয়ে দূরের হাসপাতালে যাওয়ায় ঝুঁকিও বাড়ছে।
কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শিশুদের নিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। এতে নিম্নআয়ের অভিভাবকদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকলে প্রত্যন্ত এলাকার শিশু রোগীরা সহজেই চিকিৎসা সেবা পেত।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  ডা. আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম বলেন, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হলে শিশুদের চিকিৎসা সেবা আরও উন্নত হবে।
সচেতন মহলের দাবি, শিশুদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হোক। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হলে শিশু রোগী ও তাদের অভিভাবকদের ভোগান্তি কমবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা