• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
চিলমারীতে আবারও “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক এলাকাবাসী নজরুল বর্ষে রাজারহাটে শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত, মিলল গাছের চারাও জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক শেষ ভাষণে যুদ্ধ-এআই-জলবায়ু সংকটে জাতিসংঘের বিদায়ী মহাসচিব গুতেরেসের সতর্কবার্তা ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসিতে জিপিএ -৫ ও জুনিয়র বৃত্তি প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কুড়িগ্রাম-৩ আসনে সংরক্ষিত সংসদ সদস্যের বিশেষ প্রতিনিধি তারিক আবুল আলা চৌধুরী ৩ বছরেও চালু হয়নি পাঙ্গাহাটে ২কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সবজীর মার্কেট ১৮ দোকান ও ৬ বিক্রয়কেন্দ্র পড়ে আছে অব্যবহৃত আগাছা-ফাটল ও মাদক সেবনের চিহ্ন জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী আগামী জানুয়ারিতে ইউপি নির্বাচন হতে পারে : ইসি মাছউদ

চিলমারীতে আবারও “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক এলাকাবাসী

হাবিবুর রহমান / ১০ Time View
Update : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের” কাঁচকোল বাজারের পুর্বে ও বাজারের দক্ষিণে “কেডি ওয়ারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের” সামনসহ ২স্থানে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের জিও ব্যাগ গুলো সরে যাচ্ছে এবং ব্লক পিচিং গুলো নদীতে দেবে যাচ্ছে। এতে নদের তীরবর্তী এলাকায় “বাজার, মসজিদ, স্কুল, মাদ্রাসা ও আবাদি জমিসহ হাজার হাজার পরিবার ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচকোল বাজারে পূর্ব পাশে গাছের তলে ও বাজারের দক্ষিণ দিকে “কেডি ওয়ারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের” সামনে পূর্ব পাশের স্থানে, ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের জিও ব্যাগ ও ব্লক পিচিং গুলো মাটি ভেঙে নদীতে ধসে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, ৪৪৮কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ ২০১৮সালে হলেও তখন থেকে একাধিক বার, ব্লক ধসের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত হয়নি স্থায়ী সমাধান। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্কে থাকতে হয় এই এলাকার মানুষদের। কাঁচকোল বাজার এলাকার বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন,
এখানে নদী ভাংতেছে যদি এখানে বান্দা না হয় তাহলে কাঁচকোল ভেঙে যেতে পারে। কাইয়ুম মিয়া বলেন, যদি এটা তারাতারী বান্দন না করে তাহলে পাশে বাজার, বাড়ি ও গাছও থাকবে না। শফিউল মিয়া বলেন, দুপুরে ২টা থাকি দেখি ব্লক ভাংতেছে গাছের তলে, সবাই খালি দ্যেহে কাহ কয় না, ইউএনও সাহেবের কাছে আমার দাবি তারাতাড়ি বস্তুা ফেলার জন্য। আঃ রাজ্জাক বলেন, এই নদী যদি ভাংগি যায় তাহলে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, ভাংগি যায় এদের অবস্থা করুন হয়ে যাবে। তারা আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত তেমন কোন স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। দ্রত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, আমরা এটা পরিদর্শন করলাম, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, আমরা দ্রুত এটা মেরামতের ব্যবস্থা করব বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা