• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রামে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় স্বামী-স্ত্রীকে ছুরিঘাত, নিহত স্বামী, গ্রেফতার মাদকাসক্ত যুবক রাজারহাটে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ  রাজারহাটে ঐতিহাসিক ৭নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ভূরুঙ্গামারীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মেয়াদোত্তীর্ণ সোনাহাট সেতুর স্টিলের পাটাতন ভেঙে গেছে ভোগান্তিতে স্থানীয়রা চিলমারীতে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কুড়িগ্রামে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু আসছে মৌসুমী হামিদের ‘যাপিত জীবন’

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মেয়াদোত্তীর্ণ সোনাহাট সেতুর স্টিলের পাটাতন ভেঙে গেছে ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

আব্দুল লতিফ, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ  / ৮ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মেয়াদোত্তীর্ণ সোনাহাট সেতুর স্টিলের পাটাতন ভেঙে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে ভারী যানবাহন। ভোগান্তিতে  স্থানীয়রা। (৬ নভেম্বর) শুক্রবার  সকালে সেতুর ওপর একটি বালুবাহী ট্রাক্টর আটকে গেলে ট্রাকসহ সব ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় সেতু কর্তৃপক্ষ। এতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে সেতুর দুই প্রান্তে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, বিভিন্ন স্থানে পাটাতন ভেঙে গেছে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা সেতুটির। অনেক জায়গায় খুলে গেছে স্টিলের প্লেটও। তবুও জীবিকার প্রয়োজনে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই সেতুটি ব্যবহার করছিলেন চালক ও সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৮৭ সালে লালমনিরহাট থেকে ভারতের গৌহাটি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের সময় দুধকুমার নদের ওপর নির্মিত হয় ১ হাজার ২০০ ফুট দীর্ঘ সোনাহাট রেলসেতু। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সেতুর একটি অংশ ধ্বংস করা হয়। স্বাধীনতার পর এরশাদ সরকারের আমলে সেতুটি মেরামত করে ভূরুঙ্গামারীর পূর্ব উত্তরে দুইটি ইউনিয়ন সোনাহাট ও চরভূরুঙ্গামারী এবং  দক্ষিণাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়ন  বলদিয়া, কচাকাটা ও মাদারগঞ্জ এলাকার সঙ্গে চালু করা হয় সড়ক যোগাযোগ।

নির্মাণের সময় সেতুটির আয়ুষ্কাল নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০০ বছর। সেই হিসাবে প্রায় ৪০ বছর আগেই শেষ হয়েছে এর মেয়াদ।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, নড়বড়ে সেতুটি যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। একই সঙ্গে ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে সোনাহাট স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও। বারবার সেতুটি ভেঙে যানচলাচল বন্ধ হয়। ভোগান্তির পর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের। গতকাল মুমূর্ষু রোগী পারাপারে বিগ্ন ঘটায় সঠিক সময় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পৌঁছাতে পারেনি। এক পথযাত্রী বলেন, সোনাহাট সেতুটি একটি মরণ ফাঁদ আমরা যারা সাধারণ জনগণ সময়মতো গন্তব্য স্থলে পোঁছেতে পারিনা। স্থানীয়দের  একটাই দাবি   দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে হলে নতুন সেতুটি  ২০২৬ সালের মধ্যে চালু করা হউক। এজন্য সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা