• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
Headline
মারুবেনি করপোরেশনকে নতুন বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুড়িগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে অনিয়মের অভিযোগ  রাজারহাটে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা বিজন ডাকুয়ার পরলোকগমন রাজারহাটে প্রেসক্লাব সদস্য মুকুল কোঙরের পরলোক গমন চিলমারীতে “সাপ্তাহিক সহযোগী” পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বাষিকী পালিত কুড়িগ্রামে এসআরবি-১৩ এর অভিযানে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, ১০০ পিস ইয়াবা এবং ০৪ বোতল এস্কাফ উদ্ধার সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশি বলে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট বাস্তব কথা আবরার ফাহাদ হত্যার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শনিবার মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসবের ক্ষণগণনা

কচুরিপানার ফুলেল চাদরে মোড়া এক স্বপ্নিল দৃশ্যে সেজেছে রাজারহাটে গ্রামগঞ্জের জলাশয়

Reporter Name / ১২১ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: সবুজের বুক জুড়ে সাদা, বেগুনি আর হালকা গোলাপি রঙের মায়াবী ছোঁয়া কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন খাল, বিল, ডোবা ও জলাশয়ে এখন যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব সাজ। প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া কচুরিপানার ফুলে ফুলে ঢেকে গেছে জলাশয়গুলো, যেন ফুলেল চাদরে মোড়া এক স্বপ্নিল দৃশ্য। যার বৈজ্ঞানিক নাম আইকর্নিয়া ক্র্যাসিপস।
উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চায়না বাজার সংলগ্ন রাস্তার পাশের মুক্ত জলাশয়ে এই নয়নাভিরাম দৃশ্য সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। রোববার(১০মে) সকালে রাজারহাট-তিস্তা মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী অনেক পথচারী কিছুক্ষণ থমকে দাঁড়িয়ে উপভোগ করছেন এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। শুধু চায়নাবাজার এলাকা নয়, উপজেলার প্রায় সব খাল, বিল ডোবা ও বদ্ধ জলাশয়ে কচুরিপানার ফুলের দৃশ্য এখন চোখে পড়ার মতো।
চকচকে সবুজ ডিম্বাকৃতির পাতার উপর ভেসে থাকা কচুরিপানার গাছে একেকটি কান্ডে ছয় পাপড়ির ফুলের থোকা ফুটে থাকে। এ উদ্ভিদ খুব দ্রুত বংশবিস্তার করে এবং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশীয় মাছের বংশবৃদ্ধিতে সহায়ক হওয়া ছাড়াও জলাশয়ের পানি ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এই ভাসমান উদ্ভিদ। কিছু মাছ এটিকে খাদ্য হিসেবেও গ্রহণ করে। এছাড়া কচুরিপানা থেকে তৈরি জৈব সার কৃষিকাজে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পানির উপর কচুরিপানা স্তুপ করে তার ওপর সবজি চাষের পদ্ধতিও গ্রামাঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি এটি গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। জলাশয়ে ফুটে থাকা এসব ফুল শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়াচ্ছে না, বরং মানুষকেও দিচ্ছে নির্মল আনন্দ। বিশেষ করে শিশুদের কাছে কচুরিপানার ফুল হয়ে উঠেছে খেলনার মতো প্রিয়। কিশোর-কিশোরীরা এই ফুলের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রকৃতির সৌন্দর্যের বার্তা।
ফুলপ্রেমী ৯ম শ্রেণির ছাত্রী শিখা রায় বলেন, মুক্ত জলাশয়ে একসাথে এত ফুল ফুটে থাকার সৌন্দর্য অন্য কোনো ফুলে পাওয়া যায় না।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, গ্রামীণ প্রকৃতির এই স্বতঃস্ফূর্ত সৌন্দর্য মানুষের মননে গভীর প্রভাব ফেলে। এটি আমাদের সংস্কৃতি ও অনুভূতির অংশ।
রাজারহাট উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, কচুরিপানা একটি ভাসমান উদ্ভিদ। এর জৈব সার ফসলের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং পরিবেশবান্ধব কৃষিতে এর ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা