• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
Headline
১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ভূরুঙ্গামারীতে সোনাহাট স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ কুড়িগ্রামের চরবাসীর বেঁচে থাকার স্বপ্ন গবাদিপশু পালন বস্ত্র খাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, কমিটি গঠন নাগেশ্বরীতে এক মাসে ভেঙেছে তিন শতাধিক ঘরবাড়ি উলিপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না রাজারহাটে ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন পরিদর্শনে ইউএনও, গঠন হলো তদন্ত কমিটি আর্জেন্টিনার হারে মাথা ন্যাড়া করে সমর্থন ছাড়লেন কুড়িগ্রামের দুই যুবক

কুড়িগ্রামে প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

Reporter Name / ৬৬ Time View
Update : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, ধরলা ব্রিজ পূর্বপাড়ের আরাজি মৌজায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে শত শত বসতবাড়ি, হাজার হাজার মানুষের আবাসন ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল ১০টায় ধরলা ব্রিজ পূর্বপাড় এলাকায় কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, আব্দুল কাদের জিলানী, ডা. শাহানুর রহমান, জাহিদ হাসান, আলমগীর হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বক্তারা বলেন, শত বছরের পুরোনো বসতি ও কৃষকদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ফসলি জমি ধ্বংস করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিরোধিতা না করে দাবি জানান, এমন স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হোক যেখানে অনাবাদি ও পতিত জমি রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ উচ্ছেদের শিকার হবে না।
তারা আরও বলেন, আরাজি ভোগডাঙ্গা মৌজার অধিকাংশ জমির এসএ, সিএস ও আরএস রেকর্ড রয়েছে। তবে সামান্য কিছু জমির আরএস রেকর্ড না থাকলেও সেগুলোর মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। বক্তাদের দাবি, নদীভাঙনে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেকের পূর্বপুরুষ সে সময় আরএস রেকর্ড সম্পন্ন করতে পারেননি। পরবর্তীতে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় রেকর্ড সংশোধনের উদ্যোগ নেন।
মানববন্ধনে আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, আমাদর পূর্বপুরুষরা নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করে এই ভিটেমাটি টিকিয়ে রেখেছেন। তাই জীবিকার শেষ সম্বল ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ব নির্ধারিত বিকল্প স্থানে স্থাপনের দাবি জানাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা