• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
Headline
আজ থেকে ৫দিন ব্যাপী দূর্গাপূজা আরাম্ভ,কঠোর নিরাপত্তা জোরদার দুর্গামন্ডপ পরিদর্শন করলেন রাজারহাট ইউএনও তানজিলা তাসনিম ভূরুঙ্গামারীতে ইউনিয়ন বিএনপির ঘোষিত কমিটি বাতিলে ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম কুড়িগ্রামে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ ফুলবাড়ি উপজেলা বিএনপির দুই শীর্ষ নেতাসহ ৬জন সরকারি চাকরিজীবী সরকারি বিধিবিধান লঙ্ঘিত দুর্গাপূজা ঘিরে কুড়িগ্রামে বিজিবির বিশেষ নজরদারি দুর্গম চরের শিশুদের শিক্ষা উপকরণ দিল কুড়িগ্রাম চর উন্নয়ন পরিষদ ‘ঝরে পড়া ও বাল্যবিয়ে রুখতে চরে ভাসমান স্কুল ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জরুরি’ কু‌ড়িগ্রা‌মে জোড়া খুনের মামলার রায়, একজনের যাবজ্জীবন ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকার,এতে নদীর জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে কুড়িগ্রামে সাড়ে ৫ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১ কুড়িগ্রামে একই পরিবারের ৬ জনই মানষিক অসুস্থ

কুড়িগ্রামে মাদকসেবী ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  / ৭২ Time View
Update : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

কুড়িগ্রামে চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ হাটে   দোকানপাট,  বাড়িঘর ভাঙ্গচুর কারী মাদকসেবী ও  চাঁদাবাজদের গ্রেফতারেব দাবিতে রবিবার(২১জুন) বিকালে কুড়িগ্রাম শহীদ মিনার চত্বরের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত অভিযোগসুত্রে জানান যায় চিলমারী উপজেলার রমনা জোড়গাছ হাটে দীর্ঘ এক যুগ থেকে হোটেল  ব্যবসা করছেন একই এলাকার মরহুম হোটেল ব্যবসায়ী  আব্দুল শেখের ৪ পুত্র  রমনা ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্দিক, আবু তালেব, রঞ্জুসহ পৃথক ৩ টি হোটেলে, ১ টি ফলের দোকানের আলাদা ব্যবসা করে আসছেেন।
গত ১৭ জুন বুধবার দোকানের পাওনা টাকা চাইতে গেলে কুদ্দুস গংরা চড়াও হোন।সিদ্দিকের সঙ্গে বাকবিতন্ডায় মারপিটের এক পর্যায়ে  প্রথমে সিদ্দিকের হোটেল ভাঙ্গচুর করেন। পরে একে একে বাকী ৩ টি দোকান ভাঙ্গচুর ও লুটপাট চালায়। আমরা প্রতিবাদ করলে কুদ্দুস গংরা আরো সংগঠিত হয়ে বাজারে পাশে ওয়াবদা বাঁধে থাকা ২ টি বাড়ি ভাঙ্গচুর ও লুটপাট চালায়। এলাকা থেকে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়,নইলে ঐ এলাকায় যাকে পাবে তাঁকে হত্যার করার হুমকি দেয়।
ভুক্তভোগীরা চিকিৎসার জন্য চিলমারীর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হলে সেখানেও চড়াও হয় সন্ত্রাসীরা ।পরে  জীবনের ভয়ে পালিয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে আছে ভুক্তভোগীরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের নারী, শিশু অন্য সদস্যরাও বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সুচতুর কুদ্দুস গংরা ভুক্তভোগীদের এলাকা ছাঁড়া করে মিথ্যা মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রচার- প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এবিষয়ে হোটেল ব্যবসায়ী সিদ্দিক বলেন পৈতৃক সুত্রে হোটেল ব্যবসা করছি দীর্ঘ এক যুগ ধরে। আমরা কেমন ব্যবসায়ী বাজারের অন্যন্য ব্যবসায়ীরা জানে।আমাদের পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো প্রতি হাটে হাটে চাঁদা দাবি করে। নিয়মিত চাঁদা নি দিলে এই বাজারে ব্যবসা না করার হুমকি দিয়ে আসছে দীর্ঘ দিন থেকে।
সন্ত্রাসীরা একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে দোকান হাটের দোকান ব্যবসায়ীরা ছাড়াও হাটে আগত ক্রেতা বিক্রেতার কাছে নিয়মিত চাঁদা তুলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী ও  ইজারাদার বলেন চাঁদার প্রতিবাদ করলেও আমাদের সাথে কুদ্দুস গংদের  একাধিকবার বাকবিতন্ড হয়।
সন্ত্রাসীদের সিন্ডিকেটের কাছে জুলুম নির্যাতনের শিকার হলেও কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি।কেউ  প্রতিবাদ করলে নেমে আসত জুলুম নির্যাতন ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাজানো নানান প্রচারণা। শুধু রমনা হাঁটে নয়  গোটা এলাকায় রাজত্ব ও ত্রাস সৃষ্টি করেছেন ওই সিন্ডিকেট। ভুক্তভোগী আহতরা গতকাল চিলমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এব্যাপারের চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ নয়ন কুমার  জানান লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা