• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
Headline
ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশংঙ্কা চিলমারীতে “কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে বৃক্ষরোপণ” কার্যক্রম অনুষ্ঠিত ত্রাণ বিতরণে কোনো অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না : ত্রাণ মন্ত্রী মেয়েদের অবৈতনিক উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি বৃত্তিও দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী ফেরি কুঞ্জলতা চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি কুড়িগ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা : ২০ বছর পর প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে  প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আহত ২; আটক ১১ সরকার উদ্যোক্তাদের পাশে রয়েছে সহযোগিতা করার জন্য: প্রধানমন্ত্রী ভূরুঙ্গামারীতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসুচির আওতায় বিনামূল্যে ১৪১০ জন কৃষকের মাঝে গাছের চারা,শাকসবজির বীজ ও সার বিতরণ

কুড়িগ্রামে তিস্তার পানিতে বাদাম চাষের ব্যাপক ক্ষতি

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: / ৪০ Time View
Update : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে চরের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে বাদামসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার একাধিক এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে। সোমবার(২২জুন) দুপুরে সরেজমিনে উপজেলার বুড়িরহাট এলাকা গিয়ে দেখা যায়,  তিস্তার চরে ২ একর জমিতে বাদাম চাষ করেছিলেন আনোয়ার হোসেন (৪০)। তিনি বলেন, “বাদাম চাষে আমার খরচ হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৬ হাজার টাকা। হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০ শতাংশ জমির বাদাম তুলতে পারিনি।”
একই এলাকার কৃষক মমিন মিয়া (৫০) ১৪ একর জমিতে বাদাম চাষ করেন। পানির কারণে তিনি ৭ একর জমির বাদাম তুলতে পারেননি। তিনি জানান, “প্রতি একরে চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। গড়ে প্রতি একরে ৩৫ মণ বাদাম পাওয়া যায়। প্রতি মণ ৫ হাজার টাকা হিসাবে বাজারমূল্য দাঁড়ায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এবার ১৪ একরে আমার মোট খরচ হয়েছে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। বাদাম তুলতে পেরেছি ২৪৫ মণ, যার বাজারমূল্য ১২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে প্রায় ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে।”
উপজেলার বিজলীর বাজার এলাকার এরশাদ ও সাইদুল দুই ভাই ঋণ নিয়ে ৭ একর জমিতে বাদাম চাষ করেন। লাভের আশায় চাষাবাদ করলেও অতিরিক্ত পানির কারণে একটি বাদামও ঘরে তুলতে পারেননি তারা। এখন ঋণ পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের।
তৈয়ব খাঁ চরের শফিকুল ইসলাম ৩ একর এবং নুর আলম ২ দশমিক ৫ একর জমিতে বাদাম চাষ করেছিলেন। পানির কারণে তারা জমিতেই প্রায় অর্ধেক বাদাম ফেলে রাখতে বাধ্য হয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা