• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
Headline
আজ থেকে ৫দিন ব্যাপী দূর্গাপূজা আরাম্ভ,কঠোর নিরাপত্তা জোরদার দুর্গামন্ডপ পরিদর্শন করলেন রাজারহাট ইউএনও তানজিলা তাসনিম ভূরুঙ্গামারীতে ইউনিয়ন বিএনপির ঘোষিত কমিটি বাতিলে ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম কুড়িগ্রামে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ ফুলবাড়ি উপজেলা বিএনপির দুই শীর্ষ নেতাসহ ৬জন সরকারি চাকরিজীবী সরকারি বিধিবিধান লঙ্ঘিত দুর্গাপূজা ঘিরে কুড়িগ্রামে বিজিবির বিশেষ নজরদারি দুর্গম চরের শিশুদের শিক্ষা উপকরণ দিল কুড়িগ্রাম চর উন্নয়ন পরিষদ ‘ঝরে পড়া ও বাল্যবিয়ে রুখতে চরে ভাসমান স্কুল ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় জরুরি’ কু‌ড়িগ্রা‌মে জোড়া খুনের মামলার রায়, একজনের যাবজ্জীবন ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকার,এতে নদীর জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে কুড়িগ্রামে সাড়ে ৫ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১ কুড়িগ্রামে একই পরিবারের ৬ জনই মানষিক অসুস্থ

কুড়িগ্রামে নদ নদীর পানি হ্রাস পাওয়ায় শুরু হয়েছে নদী ভাঙ্গন

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  / ৯৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

উজানের পাহাড়ি ঢল আর অতি বৃষ্টিপাতের কারণে   গত চারদিন ধরে বিপদ সীমার নিচে দিয়ে ওঠানামা করছে কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র,  ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারের পানি। গত রাত থেকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আজ নদ নদীর পানি হ্রাস পেতে শুরু করেছে। প্রতিটি নদ নদীর পানি ৫ থেকে ১৫ সেন্টি মিটার পযন্ত হ্রাস পেয়েছে। পানি কমার সাথে সাথে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙ্গন । ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের ৩০ টি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। ভাঙ্গনে  বসতভিটা, গাছপালা, ফসলিজমি সহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলিন হচ্ছে। অন্যদিকে   এখনো নদী এলাকার বিভিন্ন ফসলের মাঠ পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাচগাছি ইউনিয়নের শুলকুর বাজার এলাকার কৃষক জমশেদ আলী  জানান  তার ১ বিঘা জমির পটলের ক্ষেত ধরলা নদীর পানিতে তলিয়ে আছে। দ্রুত গতিতে পানি নেমে না গেলে তার ফসল  পুরোটাই নষ্টের আশংকা করছেন তিনি। ওই এলাকায় অনেকের বিভিন্ন ফসল তলিয়ে আছে।
বিভিন্ন ধরনের ফসল তলিয়ে থাকায় কৃষকরা দুশ্চিন্তায় দিশেহারা।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানান, পানি দ্রুত হ্রাস পেলে নিমজ্জিত ফসলের কোন ক্ষতি হবে না। পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ফসলের পরিচর্যা করার পরামর্শ দেন তারা।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম  জানান, গতকাল থেকে প্রবল বৃষ্টিপাত  না হওয়ায় নদ নদীর পানি হ্রাস পেতে শুরু করেছে। যার কারণে বন্যার আশংকা কমে গেছে।  স্থানীয় ভাবে বৃষ্টিপাত  না হলে  আর কোন বন্যার সম্ভাবনা নেই। তবে তিনি স্বীকার করেন ভাঙ্গন  রোধে জরুরী বরাদ্দ না পাওয়ায়  ভাঙ্গন কবলিত  সব এলাকায় টিক মতো  কাজ করতে পারছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা