• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
Headline
ফারুকী-তিশার সংসারে ভাঙনের গুঞ্জন সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে, প্রশ্ন শফিকুর রহমানের হতদরিদ্র মানুষের নিজ ভিটায় সোলারসহ ঘর নির্মার্ণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে:  রাজারহাটে শাড়ি বিতরণে ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু ভূরুঙ্গামারীতে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নুর মোহাম্মাদ নামে এক ব্যাংকিং ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই আজ বিজয়া দশমী, ঢাক-শঙ্খের ধ্বনিতে বিদায়ের সুর অন্যের বারান্দায় রাত কাটানো লতা রানীর পাশে খাদ্য ও পোশাক দিয়ে দাঁড়াল রাজারহাট উপজেলা প্রশাসন পূজা হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক এবং সর্বজনীন- রাজারহাটে শাড়ি উপহার বিতরণে কুড়িগ্রাম ডিসি সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী চীনে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন পুতিন, ট্রাম্প ও শি আজ মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা

কুড়িগ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা : ২০ বছর পর প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  / ১৫৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়ক মন্ডল গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার ঘটনার ২০ বছর পর নিহতের স্ত্রী ও স্ত্রীর প্রেমিকসহ ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থ দন্ডের আদেশ দিয়েছে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত-১ এর বিজ্ঞ বিচারক জয়নাল আবেদীন এই রায় দেন।
যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়ক মন্ডল এলাকার খুনের শিকার কেতাব উদ্দিন’র স্ত্রী নুর নাহার (৪৮), শাশুড়ি ছকিনা বেগম(৬০), শ্বশুর নুর মোহাম্মদ (৬৮) ও স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক আব্দুল গফুরণ(৫২।
মামলার এজাহার সুত্রের বরাতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটরই অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম জানান, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমন্ডল গ্রামে স্ত্রী নুরনাহার তার স্বামীকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে কৌশলে পার্শ্ববর্তী তার পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী নুর নাহার ও তার পিতা-মাতা এবং তার পরকীয়া প্রেমিক মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করে বাড়ির পাশের জমিতে মরদেহ ফেলে রাখে।
এ হত্যাকান্ডের পরদিন ১৯ এপ্রিল কেতাব উদ্দিনের পিতা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযুক্ত ১০ জনের নামে চার্জশীট দাখিল করে। বিজ্ঞ আদালত স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণসহ দীর্ঘ শুনানী শেষে ঘটনার ২০ বছর পর পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩০২ ও ৩৪ ধারা মোতাবেক গঠিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং আসামীদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড অনাদায় অতিরিক্ত আরো এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত ৪জন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।
তিনি আরো জানান, রাষ্ট্র পক্ষ সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় অপর ৫জন আসামীকে বেকসুর খালাস দেন। খালাস প্রাপ্তরা হলেন- গাজীবর রহমান, কুমুর উদ্দিন, সহিদুল ইসলাম, নুর হোসেন, হাসেম আলী ও রফিকুল ইসলাম।
মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, এ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো ও অ্যাডভোকেট শামছুল হক আর সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।
আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনোয়ারুল হোসেন আলো বলেন, আমরা এই আদালতে ন্যায় বিচার পাইনি। খুব শীঘ্রই উচ্চ আদালতে যাবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা