কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ভয়াবহ আকার নিয়েছে নদীভাঙন। জেলার বিভিন্ন নদীতীরে ৩৬টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙনে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও স্থাপনা। একদিকে ঘর read more
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর বন্যা ও ভাঙন কবলিত ১৬০ পরিবারকে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার(১জুলাই) দুপুরে উপজেলার নদী তীরবর্তী রামহরি খিতাবখাঁ সরিষাবাড়ি ও গতিয়াসাম এলাকার মানুষদের মাঝে শুকনো
হঠাৎ করেই বন্যার পানি এসে বাড়িতে ঢুকে পড়েছে। এখনো রান্না করতে পারিনি। ঘরের জিনিসপত্র ওয়াপদা বাঁধে তুলতে ব্যস্ত আছি। ঘরের ভেতরে পানি থাকায় ছোট ছোট বাচ্চারা খাটের ওপর বসে আছে।
হঠাৎ করে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তিব্র ভাঙ্গনে শিকার হয়ে বাড়ি-ভিট ছেড়েছেন ২৫টি পরিবার আতঙ্কে দিন কাটছে চরবাসীদের। সোমবার (২৯জুন) গভীর রাত থেকে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু একটি দিবস পালন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। প্রতি বর্ষা মৌসুমে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, বছরে একটি করে
মাঠের বাইরেও বড় মনের নজির দেখালেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমার জুনিয়র। ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে জরুরি উদ্ধার ও মানবিক ত্রাণ তৎপরতায় তিনি আড়াই লাখ মার্কিন ডলার বা তিন কোটি
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদের পানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গত ২৪ ঘণ্টায় নদটির পানি ৬৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে কালভার্টের মুখ বন্ধ করে পানি নিষ্কাশনের পথে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সাথে উত্তোলনকৃত বালু
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এস, এম নুরুল আমিন সরকার
সম্পাদক কর্তৃক সারদা প্রেস, বাজার রোড, কুড়িগ্রাম থেকে মূদ্রিত ও মাচাবান্দা নামাচর, চিলমারী, কুড়িগ্রাম থেকে প্রকাশিত।
অফিসঃ উপজেলা পরিষদ মোড়, চিলমারী, কুড়িগ্রাম।
ঢাকা অফিসঃ শ্যাডো কমিউনিকেশন, ৮৫, নয়া পল্টন (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা- ১০০০।
ফোনঃ ০৫৮২৪-৫৬০৬২, মোবাইল: ০১৭৩৩-২৯৭৯৪৩,
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]
এই ওয়েবসাইট এর সকল লেখা,আলোকচিত্র,রেখাচিত্র,তথ্যচিত্র যুগেরখবর এর অনুমতি ছাড়া হুবহু বা আংশিক নকল করা সম্পূর্ন কপিরাইট আইনে আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।