• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রামে  ৬বছরেও ৪টি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র চালু হয়নি ভূরুঙ্গামারীতে লুট হওয়া সার উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার অনুষ্ঠিত রাজারহাটের উন্নয়নে সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ইউএনও তানজিলা তাযেন্ ভূরুঙ্গামারীতে ১৯৭ বস্তা সার লুটের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন , ১০০ বস্তা সার উদ্ধার চিলমারীতে “ফ্রেন্ডশিপ (FDIDP) প্রজেক্টের স্টাফ ও সমাজ সেবার” যৌথভাবে (CBR) এপ্রোচ মিটিং অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র দাখিল জহির উদ্দিন স্বপনের ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শিশু রোগী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভাঙা-গড়ার খেলায় চরের জীবন: কুড়িগ্রামের নদীভাঙন, মানুষের সংগ্রাম ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত হরমুজকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণা করে মানচিত্র প্রকাশ ট্রাম্পের

চিলমারীতে ফের ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্ক উপজেলাবাসী

হাবিবুর রহমান / ১০২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল (সড়কটারী) এলাকায়, আবারও তিনটি স্থানে ধস ও একাধিক স্থানে রাস্তার ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে নদের তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন ও বন্যা আতঙ্কে আছেন উপজেলাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধসে গেছে। এছাড়া অন্তত ১২টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছেন। ঝুঁকিতে রয়েছেন প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাসহ বাঁধের রাস্তা।
স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, ৪৪৮কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ ২০১৮সালে হলেও তখন থেকে একাধিক বার, ব্লক ধসের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত হয়নি স্থায়ী সমাধান। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্কে থাকতে হয় এই এলাকার মানুষদের।
কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদী ভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি, কখন যেন ভেঙে যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত তেমন কোন স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মানিক, খালেক, নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের স্থায়ী সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা