• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
Headline
অবহেলায় যেন গণতন্ত্র হারিয়ে না যায়: রাষ্ট্রপতি রিশাদ-আলিসের ঘূর্ণিতে সিরিজ বাংলাদেশের শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভূরুঙ্গামারীতে ২৩ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোর্ত্তীন পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস দেশে ফিরে বাঁধনের আক্ষেপ—আমার টিমও আমাকে বর্জন করেছে পলাশপুর গ্রাম নিশ্চিহৃ হওয়ার আশঙ্কা কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি একটি কিডনির জন্য থমকে গেছে সজিবের জীবন আড়াই বছরের মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বাঁচতে চান তিনি পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর আব্দুল লতিফ, ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ ব্রিকস সম্মেলনে ঐতিহাসিক ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা’

চিলমারীতে “ভ্রাম্যমাণ আদালতের সিলগালা করা ৯লাখ ঘনফুট বালু” রাতের আঁধারে উধাও

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ / ৯২ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ ও সিলগালা করা প্রায় ৯লাখ ঘনফুট বালু” নিলাম ছাড়াই রাতের আঁধারে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার (২৫শে আগস্ট) রাত থেকে বৃহস্পতিবার (২৭শে আগস্ট) সকাল পর্যন্ত “চিলমারী উপজেলা রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কালিরকুড়া (টি-বাঁধ) থেকে ফকিরের হাট পর্যন্ত, বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ট্রাকে করে এসব বালু” সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলে বালু সরানোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে জানাগেছে, ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কালিরকুড়া (টি-বাঁধ) এলাকায় আগে থাকা দুটি বালুর পয়েন্টের সঙ্গে নতুন করে আরও ১১টি পয়েন্ট চালু করা হয়েছে। এসব পয়েন্ট ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়ে কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছেন। বালু পরিবহনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বাঁধ কেটে এবং বাঁধের পিচিংয়ের ব্লক তুলে অন্তত সাতটি স্থানে রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল। এতে বাঁধের রাস্তার নিরাপত্তা নিয়ে আশংকা রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ই মে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়েছে। পরে অভিযানে ১৩টি পয়েন্ট থেকে প্রায় ৯লাখ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে এবং সে গুলো সিলগালা করা হয়েছে। পরে ৩০শে মে স্থায়ীভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং বাঁধ রক্ষার দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন করেন। সেই সময় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাঁধ কেটে তৈরি করা বালু পরিবহনের কয়েকটি রাস্তা ও গদিঘর ভেঙে দেন।
জব্দ করা বালু পাহারা ও সংরক্ষণের জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য আসলাম হক ও মুকুল মণ্ডলকে জিম্মাদার করা হয়েছে। তবে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, আসলাম হক নিজেই বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাকে জিম্মাদার করার সময়ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়েছিল। স্থানীয়দের ধারণা, জিম্মাদারের পরামর্শেই ব্যবসায়ীরা সিলগালা করা বালু সরিয়ে নিয়েছেন। যদিও বালু সরিয়ে নেওয়ার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য আসলাম হক।
তিনি বলেন, বালু নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার প্রতিপক্ষরা মিথ্যাচার করছেন। বিষয়টি আমি ইউএনও মহোদয়কে জানিয়েছি। তিনি বালু নিয়ে যাওয়াদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে বলেছেন।
অন্য জিম্মাদার মুকুল মণ্ডল বলেন, বিষয়টি আমি ইউএনও মহোদয়কে জানিয়েছি। কিন্তু আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে তিনি আমাকে বালুবাহী গাড়ি আটকাতে বলেছেন।
এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বলেন, জব্দ করা বালু চুরির বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িত থাকা ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা