• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
Headline
 রাজারহাটে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা বিজন ডাকুয়ার পরলোকগমন রাজারহাটে প্রেসক্লাব সদস্য মুকুল কোঙরের পরলোক গমন চিলমারীতে “সাপ্তাহিক সহযোগী” পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বাষিকী পালিত কুড়িগ্রামে এসআরবি-১৩ এর অভিযানে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, ১০০ পিস ইয়াবা এবং ০৪ বোতল এস্কাফ উদ্ধার সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশি বলে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট বাস্তব কথা আবরার ফাহাদ হত্যার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শনিবার মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসবের ক্ষণগণনা কুড়িগ্রামে সিএনজি চলাচলের অনুমতির দাবিতে চালকদের সড়ক অবরোধ রাজারহাটে দুর্গাপূজা ঘিরে প্রশাসনের কঠোর প্রস্তুতি, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান ইউএনও’র

পলাশপুর গ্রাম নিশ্চিহৃ হওয়ার আশঙ্কা কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  / ৯১ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি। সবচেয়ে বেশী ভাঙনের তীব্রতা দেখা দিয়েছে উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের সোমনারায়ণ মৌজার  হাসারপাড় এলাকার পলাশপুর গ্রামে। নদীর পাড় ভেঙে  জিও ব্যাগ ও মাটি ধসে পড়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কৃষক ও নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়া হলে শুধু আবাদি জমি নয়, অদূর ভবিষ্যতে পলাশপুর গ্রামের বসতভিটাও তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।
রবিবার(১৩সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভাঙন ঠেকাতে এর আগে তিস্তার দুই পাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। কিন্তু নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় জিও ব্যাগের আশপাশের মাটি ধসে নদীতে চলে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও জিও ব্যাগের নিচের মাটিও ডেবে গেছে। ফলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকলেও ভাঙন থামছে না। তাই নতুন নতুন এলাকা ঝুঁকিতে পড়ছে।
পলাশপুর গ্রামের কৃষক আকুল সরকার (৪৫) বলেন, আমার ৭৫ শতক জমি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এই জমিটাই আমাদের পরিবারের ভরসা। চোখের সামনে মাটি নদীতে চলে যাচ্ছে। কখন যে জমিটুকু নদীতে চলে যায়, সেই আতঙ্কে আছি।
অপর আরেক কৃষক বকুল(৪০) বলেন, আমার ৬০ শতক জমি ঝুঁকিতে রয়েছে। আগে যেখানে জিও ব্যাগ দেয়া হয়েছিল, সেখানকার মাটিও এখন ডেবে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে।
নদীর তীরবর্তী আব্দুর রশীদ (৫৫) বলেন, আমার প্রায় ৫০ শতক জমি ভাঙনের মুখে। জমি হারালে আমাদের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। চোখের সামনে নিজের জমি নদীতে চলে যেতে দেখা খুবই কষ্টের।
নাজিমখান ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন,  হাসারপাড়ের পলাশপুর এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ইতোমধ্যে মানুষের আবাদি জমি নদীতে চলে গেছে। আগে যেখানে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল, ভাঙনের কারণে সেখানকার মাটিও ডেবে যাচ্ছে। দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেয়া হলে ভাঙন বসতবাড়ির দিকেও চলে যেতে পারে।
এ বিষয়ে রবিবার কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘হাসারপাড়ের পলাশপুরে আগে ভাঙনকবলিত এলাকায় কাজ করা হয়েছে। বাকি অংশের জন্য বরাদ্দ এলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা