• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
নাটকের কাস্টিং নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ পারসা ইভানার ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল বিজয়ী রাজারহাটে ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী পালিত কুড়িগ্রামে ৯ বছর ধরে ড্রামের ভেলায় পারাপার ১২ হাজার মানুষের কুড়িগ্রামে ঘর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, উড্ডয়ন হতে পারে রাত সাড়ে ১০টায় ভূরুঙ্গামারীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কুড়িগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু বিভাগ সেরা হয়ে জাতীয় পর্যায়ে উলিপুরের শাহীন আলম

রাজারহাটে ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী পালিত

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  / ২১ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

‘বাঙালির শিকড় অনুসন্ধান করতে চাইলে আব্বাসউদ্দীন আহমদকে বাদ দিয়ে তা সম্ভব নয়। তাঁর গানে আমরা ভাষা ও বাঙালিত্বকে খুঁজে পেয়েছি।’ বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সিংগারডাবড়ীহাট-সংলগ্ন রাজারহাট লোকসংগীত একাডেমি প্রাঙ্গণে স্মরণসভা ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজনে ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে স্মরণসভায় এমন মন্তব্য করেছেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল হক প্রধান।
তিনি আরও বলেন, আব্বাসউদ্দীন আহমদ কেবল একজন সংগীতশিল্পী নন, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক শিকড় ও লোকজ ঐতিহ্যের অন্যতম ধারক। তাঁর গান আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে লোকসংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি আরও বেশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। ভাওয়াইয়ার সুর, স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে কিংবদন্তি এই শিল্পীকে স্মরণ করেন অতিথি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংগীতপ্রেমীরা।
অনুষ্ঠানে একাডেমির সভাপতি নাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্য অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. মঈনুল হাসান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোকসংগীতশিল্পী পঞ্চানন রায়, উলিপুর ভাওয়াইয়া পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক এবং সংস্কৃতি কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ভূপতি ভূষণ বর্মা, শিক্ষক, শিশুসাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তৌহিদ-উল ইসলাম এবং এস এম মজিবর রহমান প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, ভাওয়াইয়া শুধু বিনোদনের সংগীত নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, প্রেম-বিরহ, সুখ-দুঃখ ও গ্রামীণ জনপদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের এক জীবন্ত দলিল। এই সংগীতধারার স্বকীয়তা রক্ষা, নিয়মিত চর্চা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে এর ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
আলোচনা ও স্মৃতিচারণ শেষে শুরু হয় সংগীতানুষ্ঠান। শিল্পীদের কণ্ঠে একের পর এক ভাওয়াইয়া গান পরিবেশিত হলে লোকজ সুরে মুখর হয়ে ওঠে একাডেমি প্রাঙ্গণ। সংগীতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ভাওয়াইয়া স¤্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা