• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু বিভাগ সেরা হয়ে জাতীয় পর্যায়ে উলিপুরের শাহীন আলম তারুণ্যের দীপ্ত পদচারণায় কুড়িগ্রামে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কুড়িগ্রামে ২১ বছর ধরে অসহায় ও মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের সেবায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কাজল নিজের আয়ে ১২০ জনের পাশে কাজল ১০ বছর ধরে আগলে রেখেছেন রাসেলকে হানিট্র্যাপ চরিত্রে দুই বাংলার জনপ্রিয় যাত্রাশিল্পী প্রিন্সেস বিউট ‘আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই’ কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে মাতৃ, নবজাতক, শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রামে হাডুডু ঘিরে উৎসব, পুরস্কার গরু-ছাগল-রাজহাঁস ফুটপাত ছাড়াই মহাসড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে মানববন্ধন

চিলমারীতে “রেললাইন ও স্লিপার” বসানোর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

Reporter Name / ২০৬ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ নির্ধারিত সময়সীমা বারবার অতিক্রম করার পরও কুড়িগ্রামের উলিপুর থেকে চিলমারীর রমনা রেলস্টেশন পর্যন্ত, রেলপথ সংস্কার কাজ শেষ হয়নি। কাজের চরম ধীরগতি, অনিয়ম ও তদারকির অভাবের প্রতিবাদে “রমনা রেলস্টেশন” মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী যাত্রী ও এলাকাবাসীরা। সোমবার (৪ই মে) দুপুরে রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ১০কিলোমিটার এই রেলপথ সংস্কারের কাজ শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল, ২০২৩সালের নভেম্বর মাস। প্রাথমিকভাবে ২০২৫সালের জানুয়ারিতে কাজ শেষের লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্ভব হয়নি। পরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৫সালের জুন মাস এবং সর্বশেষ ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সময় বাড়লেও কাজের তেমন কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সরেজমিনে দেখা গেছে, রেললাইনের বিভিন্ন অংশে এখনো পর্যাপ্ত ব্যালাস্ট (পাথর) ফেলা হয়নি এবং পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিপার গুলো এখনো রয়েছে। ট্র্যাক মজবুতকরণের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে, ট্রেন চলাচলের গতি ঘণ্টায় মাত্র ১৫থেকে ২০কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। এতে যাত্রী সাধারণের যাতায়াত ভোগান্তি বহুগুণ বেড়ে গেছে বলে জানাযায় ।
মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি, কাজের নিম্নমান এবং তদারকির অভাবেই প্রকল্পটি দীর্ঘসূত্রতার কবলে পড়েছে। এতে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও সাধারণ মানুষ কোন ভাবেই সুফল পাচ্ছেন না। গত কয়েক বছরে এই রুটে একাধিকবার ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানান। এ সময় বক্তব্য রাখেন, রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নাহিদ হাসান নলেজ, উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ হোসেন পাখী, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আবু হানিফা, রমনা ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সচিব সোহানুর রহমানসহ আরও অনেক বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্রত রেললাইনে পাথর ফেলা, সিপার প্রতিস্থাপন ও ট্র্যাক মজবুত করণের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রমনা রেলস্টেশন আধুনিকায়ন ও এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিও করেন তারা। দাবি পূরণ না হলে, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। স্থানীয় যাত্রীদের ভাষ্য, ধীর গতিতে ট্র্রেন চলাচলের কারণে যাতায়াতে সময় ও খরচ ২টাই বাড়ছে তাদের জন্য। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক, মোহাম্মদ তসলিম আহমেদ খানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা