• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
কুড়িগ্রামে সার না পেয়ে কৃষকদের ক্ষোভ, ডিলারের গোডাউনে ভাঙচুর কুড়িগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় গরুর মৃত্যু, প্রাণে বাঁচলেন মালিক কুড়িগ্রামে মাদক-চাঁদাবাজি ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে গণমিছিল কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়ী সমিতি নির্বাচন সভাপতি শেখ রনজু ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শাহ আলম কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২১ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ ভূরুঙ্গামারীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সীরাতুন্নবী(সাঃ) আলোচনা ও দাওয়াতী সমাবেশ অনুষ্ঠিত তিস্তার ভাঙনে নিঃস্ব পরিবারের পাশে কুড়িগ্রামের রাজারহাট ইউএনও রাজারহাটে শহীদ রাজীব স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে উমরমজিদ ইউনিয়ন একাদশ চ্যাম্পিয়ন ভূরুঙ্গামারীতে ধানের গোলা ও খড়ির মাচা থেকে ৪২ বস্তা সার উদ্ধার, ১ লাখ টাকা জরিমানা

কুড়িগ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা : ২০ বছর পর প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পিএম সৈকত, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  / ৯৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়ক মন্ডল গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার ঘটনার ২০ বছর পর নিহতের স্ত্রী ও স্ত্রীর প্রেমিকসহ ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থ দন্ডের আদেশ দিয়েছে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত-১ এর বিজ্ঞ বিচারক জয়নাল আবেদীন এই রায় দেন।
যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়ক মন্ডল এলাকার খুনের শিকার কেতাব উদ্দিন’র স্ত্রী নুর নাহার (৪৮), শাশুড়ি ছকিনা বেগম(৬০), শ্বশুর নুর মোহাম্মদ (৬৮) ও স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক আব্দুল গফুরণ(৫২।
মামলার এজাহার সুত্রের বরাতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটরই অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম জানান, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমন্ডল গ্রামে স্ত্রী নুরনাহার তার স্বামীকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে কৌশলে পার্শ্ববর্তী তার পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী নুর নাহার ও তার পিতা-মাতা এবং তার পরকীয়া প্রেমিক মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করে বাড়ির পাশের জমিতে মরদেহ ফেলে রাখে।
এ হত্যাকান্ডের পরদিন ১৯ এপ্রিল কেতাব উদ্দিনের পিতা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযুক্ত ১০ জনের নামে চার্জশীট দাখিল করে। বিজ্ঞ আদালত স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণসহ দীর্ঘ শুনানী শেষে ঘটনার ২০ বছর পর পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩০২ ও ৩৪ ধারা মোতাবেক গঠিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং আসামীদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড অনাদায় অতিরিক্ত আরো এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত ৪জন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।
তিনি আরো জানান, রাষ্ট্র পক্ষ সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় অপর ৫জন আসামীকে বেকসুর খালাস দেন। খালাস প্রাপ্তরা হলেন- গাজীবর রহমান, কুমুর উদ্দিন, সহিদুল ইসলাম, নুর হোসেন, হাসেম আলী ও রফিকুল ইসলাম।
মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, এ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো ও অ্যাডভোকেট শামছুল হক আর সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।
আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনোয়ারুল হোসেন আলো বলেন, আমরা এই আদালতে ন্যায় বিচার পাইনি। খুব শীঘ্রই উচ্চ আদালতে যাবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা